
ঢালিউডের পরিচিত মুখ, নৃত্য পরিচালক ও অভিনেতা জাকির হোসেন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
দীর্ঘদিন কোলন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে রাজধানীর মহাখালী ক্যানসার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫০ বছর।
জাকির হোসেনের মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও দর্শকেরা স্মরণ করছেন তাঁর কর্মময় জীবন ও শিল্পের প্রতি নিবেদিত পথচলাকে।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সানি রহমান গণমাধ্যমকে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে কোলন ক্যানসারে ভুগছিলেন জাকির হোসেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ভারতের বেঙ্গালুরুতে নেওয়া হয়েছিল।
তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গত শনিবার (২০ জুন) তাঁকে রাজধানীর মহাখালী ক্যানসার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় জীবনের শেষ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটে।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের নৃত্য পরিচালনার জগতে জাকির হোসেন ছিলেন পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য একটি নাম।
কোরিওগ্রাফার হিসেবে অসংখ্য চলচ্চিত্রে তিনি তাঁর সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। পর্দার পেছনের কাজের পাশাপাশি অভিনেতা হিসেবেও রুপালি পর্দায় তাঁর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
শুধু শিল্পচর্চাই নয়, শিল্পীদের অধিকার ও কল্যাণ সংশ্লিষ্ট নানা কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ‘ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক’ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সহকর্মীদের কাছে তিনি অর্জন করেছিলেন আস্থা ও সম্মান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জাকির হোসেনের মৃত্যুতে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তাঁরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
একজন শিল্পীর বিদায় কেবল একটি জীবনের অবসান নয়, কখনো কখনো একটি সময়েরও সমাপ্তি। জাকির হোসেনের প্রস্থান সেই শূন্যতার কথাই নতুন করে মনে করিয়ে দিল।






















আপনার মতামত লিখুন :