চবিতে ছাত্রলীগের উপস্থিতির অভিযোগ, রাতভর পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি


Rajib Sen Prince প্রকাশের সময় : জুন ২৩, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ন /
চবিতে ছাত্রলীগের উপস্থিতির অভিযোগ, রাতভর পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের তৎপরতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবির।

সোমবার (২২ জুন) রাতে দুই সংগঠনই নিজ নিজ অবস্থান থেকে কর্মসূচি পালন করে।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল জিরো পয়েন্ট থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

মিছিলটি সোহরাওয়ার্দী মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়। পরে গোল চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. আলাউদ্দিন মহসিন বলেন, সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এমন কোনো সংগঠনের কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন জরুরি।

শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কার্যক্রমের অভিযোগে ক্যাম্পাসে নতুন করে অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তারা অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা ছাত্রদল মেনে নেবে না।

অন্যদিকে একই সময়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরাও পৃথক কর্মসূচি পালন করেন।

সোহরাওয়ার্দী হল এলাকা থেকে তারা মোটরসাইকেল শোডাউন বের করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় ছাত্রলীগবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহিম রনি অভিযোগ করেন, সারাদেশে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ প্রকাশ্যে মিছিল করছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও তারা শোডাউন দিয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, সরকার জাতীয়ভাবে তাদের পুনর্বাসনের সুযোগ করে দিয়েছে। নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে ছাত্রশিবির অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সোচ্চার থাকবে।

এর আগে সোমবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের একটি মোটরসাইকেল শোডাউনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি ঘিরে রাতে পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবির।

ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির এই নতুন উত্তাপ বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আবারও রাজনৈতিক সক্রিয়তার প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।