
পর্দায় চরিত্র রূপায়ণে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। টিভি নাটক, ওটিটি কিংবা সিনেমা—সব মাধ্যমেই তিনি সমানতালে মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘ বছর ধরে।
তবে এবার একেবারে নতুন এক পরিচয়ে হাজির হচ্ছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম।
ত্রিদেশীয় উদ্যোগে আয়োজিত (বাংলাদেশ-ভারত ও সিঙ্গাপুর) ‘বাভাসি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬’-এর প্রধান বিচারকের গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।
ক্যারিয়ারে এই প্রথম কোনো চলচ্চিত্র উৎসবে বিচারকের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে।
নতুন এই যাত্রা প্রসঙ্গে মোশাররফ করিম বলেন, ‘বিচারক শব্দটা শুনতে যত সহজ মনে হয়, দায়িত্বটা কিন্তু ততটা সহজ নয়। তবে আমি যেকোনো কাজে নিজের সেরাটাই দেওয়ার চেষ্টা করি।
বাভাসি সত্যিই অসাধারণ এক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে নতুনদের মেধাবিকাশের বড় সুযোগ রয়েছে।
এত বছরের ক্যারিয়ারে বিচারক হিসেবে এটাই আমার প্রথম দায়িত্ব পাওয়া। আমাকে এমন একটি সম্মানজনক দায়িত্বে রাখার জন্য আয়োজক কমিটিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এবারের বাভাসি চলচ্চিত্র উৎসবে বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৭৫টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল। সেখান থেকে প্রাথমিক বাছাই পর্বে ৫২টি চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়।
পরবর্তীতে জুরিবোর্ডের কঠোর পর্যবেক্ষণে দ্বিতীয় পর্বের জন্য সেরা ১৬টি চলচ্চিত্র বেছে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্ত বা ফাইনাল রাউন্ডের জন্য লড়বে সাতটি চলচ্চিত্র।
উৎসবের সমাপনীতে সেরা চিত্রনাট্যকার, নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী, শিল্প নির্দেশক, চিত্রগ্রাহক, সম্পাদনা, গীতিকার, আবহ সংগীত ও রূপসজ্জাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণ করা হবে।
বাভাসি চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজকেরা জানান, চলচ্চিত্রের শক্তিশালী মাধ্যমের সাহায্যে দেশ-বিদেশের সংস্কৃতি, শিল্পচর্চা ও সৃজনশীল ভাবনার আদান-প্রদানকে আরও সমৃদ্ধ করাই এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য।
একই সঙ্গে বাংলাদেশ, ভারত ও সিঙ্গাপুরের নির্মাতাদের মধ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদী ও শক্তিশালী সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন গড়ে তুলতেও বাভাসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
চলচ্চিত্রপ্রেমীদের নজর এখন এই উৎসবের দিকে, যেখানে পর্দার প্রিয় অভিনেতাকে দেখা যাবে সেরা চলচ্চিত্র ও কুশলীদের খুঁজে নেওয়ার কড়া জহুরির ভূমিকায়।






















আপনার মতামত লিখুন :