
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার কিশোর মুহিন (১৫) নিখোঁজ হওয়ার ছয় দিন পর তাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার রাত ১০টার দিকে নগরের রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে এই নিখোঁজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে সক্রিয় হয়ে ওঠে একটি প্রতারক চক্র।
তারা মুহিনকে অপহরণ করা হয়েছে দাবি করে পরিবারের কাছে সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে সেই দাবির পরিমাণ কমিয়ে দুই হাজার ২০০ টাকায় নামিয়ে আনা হয়।
মুহিন কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি নগরের কালামিয়া বাজার এলাকার একটি গাড়ির গ্যারেজে কাজ করতেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় মুহিন। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে কর্ণফুলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
মুহিনের মামা মোজ্জামেল হোসেন বলেন, পারিবারিক অভিমান থেকে সে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যায়।
নিখোঁজ থাকার সময়ে নগরের ভেড়া মার্কেট এলাকায় কয়েক দিন ঘোরাফেরা করে সে। পরে রেলস্টেশন-সংলগ্ন একটি কুলিং কর্নারে অবস্থান নেয়।
এদিকে, মুহিনের নিখোঁজ হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর একটি প্রতারক চক্র পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
তারা বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন দিয়ে দাবি করে, মুহিনকে অপহরণ করা হয়েছে। এমনকি ফোনে এক কিশোরের কণ্ঠস্বরও শোনানো হয়, যাতে পরিবার বিষয়টি সত্য বলে বিশ্বাস করে।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীনূর আলম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মুহিনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে থানা-পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।






















আপনার মতামত লিখুন :