
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন-২০২৬-এ নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ, চট্টগ্রাম’।
একই সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে দুই মাসের মধ্যে নতুন কমিশন গঠন করে পুনরায় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ বুধবার (৬ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ ঘোষণা ও দাবি তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুল আলম।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়ে একটি পক্ষকে সুবিধা দিতে কাজ করছে। এতে সমিতির ঐতিহ্য ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীরা নানা বাধার মুখে পড়েছেন। অনেককে কমিশন কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
এ ছাড়া তফসিল অনুযায়ী গত ৫ মে বিকেল ৫টার মধ্যে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।
একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনটির অভিযোগ, পরে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচন না করে আপসের মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
এতে রাজি না হওয়ায় তাদের প্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রার্থীদের পুলিশ ও প্রশাসনের মাধ্যমে হয়রানির আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়।
সার্বিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে উল্লেখ করে সংগঠনটি আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে তা বর্জনের ঘোষণা দেয়।
একই সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে আগামী দুই মাসের মধ্যে নতুন, নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করে পুনরায় নির্বাচন আয়োজনের জোর দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।






















আপনার মতামত লিখুন :