
নির্বাচন ও রমজানকে সামনে রেখে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণা করেছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।
গতকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর ঘোষণা মোতাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এনসিটির চুক্তি হবে না বলে ঘোষণা দেয়ায় নির্বাচন ও রোজার পণ্য খালাসের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন আন্দোলনকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তার, শাস্তিমূলক বদলি, বাসা বরাদ্দ বাতিলসহ ১৬ কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তের যে পদক্ষেপ নিয়েছে এসব বিষয়ে সুরাহা না হলে আবার নতুন করে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এর আগে লাগাতার কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম বন্দর। এনসিটির ইজাররা প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে গত শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করে শ্রমিক কর্মচারীরা।
এতে দেশের প্রধান এই সমুদ্র বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ধর্মঘট প্রত্যাহার করায় স্বস্তি ফিরেছে বন্দর ব্যবহারকারীদের মাঝে।
সকাল ৮টার পর আবারো স্থবিরতা কাটিয়ে কর্মমুখর হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান এই সমুদ্র বন্দর। তবে সাত দিন কাজ বন্ধ থাকার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
এক দিনের ‘অচলাবস্থা’র পর আজ সোমবার সকাল আটটা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। জেটিতে জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানো শুরু হয়েছে।
বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজে পণ্য স্থানান্তর চলছে পুরোদমে। কনটেইনার ডিপো থেকে রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার এনে জাহাজে তোলাও শুরু হয়েছে।
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়াসহ চার দফা দাবিতে গতকাল রোববার সকাল আটটা থেকে ধর্মঘট শুরু করেছিল চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে চুক্তি হচ্ছে না—সরকারের এমন ঘোষণার পর রোববার দিবাগত রাতে ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।






















আপনার মতামত লিখুন :