মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যেও ক্রুড আমদানি অব্যাহত রাখছে বাংলাদেশ


Rajib Sen Prince প্রকাশের সময় : মে ২৭, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ন /
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যেও ক্রুড আমদানি অব্যাহত রাখছে বাংলাদেশ

সৌদি আরব থেকে আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) নিয়ে আসছে ট্যাংকার জাহাজ ‘এমটি নিনেমিয়া’।

আগামী ৩০ মে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরে জাহাজটিতে এক লাখ টন এরাবিয়ান লাইট ক্রুড বোঝাই করা হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মহাব্যবস্থাপক (চার্টারিং অ্যান্ড ট্র্যাম্পিং) ক্যাপ্টেন মো. মুজিবুর রহমান।

এর আগে গত ৬ মে প্রথম দফায় এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে কুতুবদিয়া অ্যাংকরে পৌঁছায় ‘এমটি নিনেমিয়া’।

ওই চালানের তেল খালাস শেষ করে জাহাজটি আবারও সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়।

এদিকে গত ২১ মে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দর থেকে এক লাখ টন মারবান লাইট ক্রুড নিয়ে দেশে আসে ‘এমটি ফসিল’ নামের আরেকটি ট্যাংকার।

বর্তমানে সেই তেল খালাসের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি (ইআরএল)।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মালিকানাধীন ইস্টার্ন রিফাইনারি দেশের একমাত্র তেল পরিশোধনাগার।

পরিশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় শতভাগ ক্রুড অয়েল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসব ক্রুড আমদানি করা হচ্ছে।

এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে আসে এরাবিয়ান লাইট ক্রুড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে মারবান লাইট ক্রুড।

আমদানি করা ক্রুড অয়েলের পুরো পরিবহন কার্যক্রম পরিচালনা করছে জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)।

এ কাজে ব্যবহারের জন্য বর্তমানে মার্কিন প্রতিষ্ঠান নর্ভিক এনার্জি থেকে চার্টারে জাহাজ ভাড়া নিচ্ছে সংস্থাটি।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে তেল পরিবহনেও। হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় গত ৩ মার্চ থেকে এক লাখ টন ক্রুডভর্তি ‘এমটি নর্ডিক পোলাক্স’ আটকা পড়ে আছে।

জাহাজটি কবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি বিএসসি।