বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদ আর নেই


Rajib Sen Prince প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন /
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদ আর নেই

জাতীয় প্রেসক্লাবের শৌচাগার থেকে দৈনিক দিনকালের সিনিয়র সাংবাদিক ও বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় টয়লেটের দরজা ভেঙ্গে তার মরদেহটি উদ্ধার করে ডিএমপির শাহবাগ থানা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান।

গতকাল বিকাল থেকে তার খোঁজ পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যরা।

আজ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে পরিবারের উপস্থিতিতে শৌচাগারের দরজা ভেঙে তারা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিনি প্রাথমিক ধারণা করছেন, তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন। মরদেহ এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

মৃত সাংবাদিক আলী মামুদের ছেলে আলী আব্দুল্লাহ তাসভীর বলেন, আমার বাবা দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সিটি এডিটর। তাদের বাসা মধ্য বাড্ডা শাহবুদ্দিন মোড় এলাকায়।

বাসা থেকে বাবা সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বের হয়েছিলেন। এরপর দুপুরে যান প্রেসক্লাবে। রাত ১২টা বেজে গেলেও তিনি বাসায় ফিরেননি। এরপর তারা তার বিভিন্ন সহকর্মীকে কল করে তাকে খুঁজতে থাকেন।

কেউ তার সন্ধান দিতে পারছিলেন না। তবে অনেকেই বলেন, সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রেসক্লাবে তারা তাকে দেখেছেন।

তাসভীর আরও বলেন, আজ সকাল ৭টার দিকে তাকে আবার খুঁজতে বের হই। প্রেসক্লাবে এক পর্যায়ে পিয়ন বাথরুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ দেখে নিচ দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখে, ভিতরে কেউ একজন পড়ে আছে।

তখন বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে ভিতরে ফ্লোরে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

আলী মামুদের স্ত্রী জেসমিন আরা জানান, ১২ বছর আগে তার ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা তার।

আলী মামুদের বাড়ি রাজশাহীর পবা উপজেলার ভীমের ডাইং গ্রামে। ২ ছেলে ও ১ মেয়ের জনক তিনি।

শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।