
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ‘বাংলা টিভি’র দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে দিনব্যাপী এক জমকালো উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধিদের মিলনমেলায় রূপ নেয়।
সর্বস্তরের নেতৃত্বের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ
বাংলা টিভির দশ বছর পূর্তির এই ঐতিহাসিক ক্ষণে শুভেচ্ছা জানাতে সকাল থেকেই ব্যুরো অফিসে আসতে শুরু করেন অতিথিরা। বাংলা টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান চৌধুরী লোকমানের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র। এছাড়াও চট্টগ্রামের প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় শীর্ষস্থানীয় ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে চ্যানেলটিকে অভিনন্দন জানান।
“বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বাংলা টিভি গত এক দশক ধরে যে ভূমিকা রেখেছে, তা প্রশংসনীয়।” — আগত অতিথিবৃন্দ
সাংবাদিক সমাজের মিলনমেলা
বর্ষপূর্তির এই আনন্দঘন মুহূর্তে সংহতি ও শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ। পাশাপাশি ‘চট্টগ্রামস্থ বোয়ালখালী সাংবাদিক ফোরাম’ সহ গণমাধ্যমের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে ব্যুরো অফিস।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ছিল চট্টগ্রামের স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মধ্যাহ্নভোজ। মনমুগ্ধকর সঙ্গীত পরিবেশনা গভীর রাত পর্যন্ত আগত অতিথিদের উজ্জীবিত রাখে।
গভীর রাতেও শুভেচ্ছার ঢল
উৎসবের সমাপনী লগ্নে ফুল ও কেক নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন চট্টগ্রামের সুপরিচিত সংবাদপত্রের শীর্ষ কর্তারা। এর মধ্যে ছিলেন সাংবাদিক মানস চৌধুরী. উপদেষ্টা সম্পাদক ও প্রকাশক (সুপ্রভাত চট্টগ্রাম এবং দৈনিক চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিন) এবং চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান (দৈনিক আজকালের খবর) ও তরুন সাংবাদিক নেতা চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরাম এর কোষাধ্যক্ষ হাসান মুরাদ।
আতিথেয়তায় মুগ্ধ অতিথিরা
অনুষ্ঠান শেষে আগত অতিথি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধিরা বাংলা টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান চৌধুরী লোকমান ও ব্যুরো অফিসের সকল সংবাদকর্মীদের আন্তরিক আতিথেয়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এক দশকের এই সফল পথচলা পেরিয়ে আগামী দিনগুলোতেও বাংলা টিভি গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করে যাবে—এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্ট সকলে।






















আপনার মতামত লিখুন :