
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মো. তানভির (১৬) নামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে হাটহাজারী রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন পৌরসভার পুরাতন কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পরে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসাপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
নিহত তানভির হাটহাজারী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম দেওয়ান নগর মুন্সিপাড়া এলাকার প্রবাসী আবদুল বারেকের ছেলে এবং আলিপুর রহমানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরে ওইদিন রাতে অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তার সহপাঠী সামীর বিন সাইফ (১৬) ও মো. রবিউল ইসলামকে (১৬) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার সামির বিন সাইফ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলীপুর গ্রামের সাইফউদ্দিনের ছেলে এবং রবিউল ইসলাম কনস্টেবল বাড়ির কবির আহম্মেদের ছেলে। দু’জনই একই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের তানভিরের এক সহপাঠী জানান, গত ১৫ অক্টোবর স্কুলে নবম শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী দুষ্টুমি করছিল। এসময় কিছু সহপাঠী এই দুষ্টুমির ভিডিও ধারণ করেন।
এই ভিডিও ধারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাব কয়েকজনকে মারধর করে। তানভির ও তার এক সহপাঠী ওই ঘটনায় প্রতিবাদ জানালে শিহাব ক্ষুব্ধ হয়।
এর জেরে মঙ্গলবার স্কুলে শিহাব ও তার বন্ধুরা মিলে তানভিরকে মারধর করে।
পরে স্কুল ছুটির পর শিহাবের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন কিশোর মিলে পৌরসভার পুরাতন কার্যালয়ের সামনে তানভিরের ওপর হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে ফেলে রেখে যায়।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তানভিরকে উদ্ধার করে প্রথমে হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাটহাজারী থানার ওসি মনজুর কাদের ভুঁইয়া জানান, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাছাড়া হামলায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।






















আপনার মতামত লিখুন :