
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. সাঈদ হাসান বলেছেন, তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী আইন।
এ আইনের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন কিংবা বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করা সম্ভব।
আজ চট্টগ্রামের পটিয়ার নোঙর রেস্তোরাঁয় আয়োজিত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আঞ্চলিক তথ্য অফিস চট্টগ্রামের কার্যক্রম বিষয়ে অবহিতকরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে চট্টগ্রাম পিআইডি।
মো. সাঈদ হাসান বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকদের তথ্য অনুসন্ধান ও বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে জনগণের কাছে সত্য তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে সরকারকে ইতিবাচকভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনুমোদনহীন অনলাইন পোর্টালের কারণে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রকৃত সাংবাদিকদের ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের মাধ্যমে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
উপপ্রধান তথ্য অফিসার আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) ও প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের জন্য কাজ করলেও উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ এখনও সীমিত।
তবে তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে ভবিষ্যতে তৃণমূল সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় আঞ্চলিক তথ্য অফিস চট্টগ্রামের সিনিয়র তথ্য অফিসার বাপ্পী চক্রবর্তী পিআইডির কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
পটিয়া তথ্য অফিসের সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ রহমত উল্লাহ চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন।
অবহিতকরণ সভায় স্থানীয় সাংবাদিক, তথ্য অফিসের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।






















আপনার মতামত লিখুন :