জনগণের আস্থা আবারও বিএনপির ওপর থাকবে: আমীর খসরু


Rajib Sen Prince প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৯, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ন /
জনগণের আস্থা আবারও বিএনপির ওপর থাকবে: আমীর খসরু

আবারও জনগণের আস্থা বিএনপির ওপর থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের মেহেদিবাগস্থ নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এর আগে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ আসনে (চট্টগ্রাম-১১) আসনের উন্নয়নে ১১ দফা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা কথা তুলে ধরেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেকেইতো নির্বাচন চায়নি, নির্বাচনের প্রতি তাদের আস্থা নেই। আবার নির্বাচনে গিয়ে বিভিন্ন কথা শুনতে পাচ্ছি। এগুলোতো ভালো লক্ষণ না। এগুলোর মাধ্যমে যে তারা কিছু করতে পারবে সেটা না।

তবে জনগণের মধ্যে একটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। যারা এসবের মাধ্যমে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী, মুক্তিকামী মানুষ তাদের কোনোদিন গ্রহণ করবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।

বাংলাদেশের জনগণ খুবই সজাগ। তারা ১২ তারিখ ভোটকেন্দ্রে যাবে, ভোট প্রয়োগ করবে। ব্যালটের মাধ্যমে জনগণ জবাব দেবে। জনগণের আস্থা আবারও বিএনপির ওপর থাকবে।

বিএনপি যদি প্রয়োজন মনে করে তাহলে ঐকমত্যের সরকার গঠনের কথা ভাববে বলে জানিয়ে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে বিএনপি জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।

তারেক রহমানের রাজনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে যারা সংহতি প্রকাশ করবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয়ভাবে নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, দেশে এখন ভোট উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর নতুন প্রজন্ম ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। তিনি নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম-১১ আসনে ১১টি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

এসব উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে প্রথমে রয়েছে আধুনিক ও জনবান্ধব চিকিৎসা ব্যবস্থা। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-১১ আসনে ১২০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

স্বল্প ব্যয়ে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা, জরুরি বিভাগ, বিশেষায়িত চিকিৎসা ও আধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

এ ছাড়া অপর ১০টি অঙ্গীকারনামার মধ্যে আছে—তরুণদের কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতা; নিরাপদ এলাকা ও শক্তিশালী আইন-শৃঙ্খলা; তীব্র পানি সংকট নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণ; জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম; যানজটমুক্ত নগর; পরিবেশ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ; টেকসই ও নিরাপদ রাস্তাঘাট; বন্দর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন; সহজ ও সমন্বিত নাগরিক সেবা; পরিকল্পিত আধুনিক নগরায়ন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেকসদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু প্রমুখ।