বোয়ালখালীতে লোকালয়ে বন্য হাতির বিচরণে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী


Rajib Sen Prince প্রকাশের সময় : জুলাই ৬, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ন /
বোয়ালখালীতে লোকালয়ে বন্য হাতির বিচরণে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

প্রলয় চৌধুরী মুক্তি :চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পূর্বাঞ্চলের লোকালয়গুলোতে আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বন্য হাতির বিচরণ । ‎গত কয়েকদিন ধরে বন্য হাতি দলবেঁধে লোকালয়ে বিচরণ করায় স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। হাতির হানার ভয়ে ফসলের মাঠে গিয়ে  নিয়মিত চাষাবাদ করতেই ভয় পাচ্ছেন স্থানীয় চাষিরা।

‎গত শনিবার জ্যৈষ্টপুরা এলাকার  সাবেক ইউপি সদস্য মো জাহাঙ্গীর আলমের বসত ভিটায় পাকা দেওয়াল ভেঙে  কাঠাল বাগান, নানাবিধ ফসলসহ, অন্যান্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করছে বন্য হাতির দল।

‎এর আগের দিন ওই এলাকার ব্রাহ্মণ বিলে কৃষকের স্কীমের পাইপ  ভেঙে চুরমার করে দেয় বলে জানান কৃষক নিমাই দে।

এছাড়া আবু সুফিয়ান নামের এক ব্যক্তির কাঠাল বাগানের ব্যাপক ক্ষতি করে বলে জানান তিনি।

হাতির আক্রমণ থেকে ফসল ও জানমাল রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের দ্রুত  কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়  ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশেষ করে উপজেলার জ্যৈষ্টপুরা, আমুচিয়া, করলডেঙ্গা পাহাড়ি এলাকায় হাতির দল প্রতিনিয়ত  হানা দিচ্ছে। দিনের বেলা পাহাড়ে অবস্থান করলেও সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই হাতির দল লোকালয় ও ফসলি জমিতে নেমে আসছে।

‎এতে সাধারণ মানুষ তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি আতংকও বিরাজমান।

স্থানীয় ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মো হাসান চৌধুরী বলেন, হাতির দল শুধু ফসলের ক্ষতিই করছে না, বরং বসতবাড়ি  ফলদ বাগানেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করছে। হাতির আক্রমণের ভয়ে অনেক কৃষক ক্ষেতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। এভাবে হাতির ভয় থাকলে এলাকায় চাষাবাদ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।’

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পটিয়া রেঞ্জের এক কর্মকর্তা এমদাদুল হক বলেন, পাহাড়ে যখন খাদ্যের অভাব দেখা দেয় তখন বন্যহাতিগুলো লোকালয়ে প্রবেশ করে। নির্বিচারে বন উজাড় করা হচ্ছে যার কারণে প্রতিনিয়ত হাতিগুলো লোকালয়ে ঢুকে খাদ্যের অনুসন্ধান করছে।

তবে এ বিষয়ে জনগণের জানমালের যাতে ক্ষতি না হয় সে ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। পাশাপাশি বন্য হাতিগুলোও যাতে সুরক্ষিত থাকে সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যে সকল কৃষকের ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি ।

‎এ বিষয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পটিয়া রেঞ্জের এক কর্মকর্তা এমদাদুল হক বলেন, পাহাড়ে যখন খাদ্যের অভাব দেখা দেয় তখন বন্যহাতিগুলো লোকালয়ে প্রবেশ করে। নির্বিচারে বন উজাড় করা হচ্ছে যার কারণে প্রতিনিয়ত হাতিগুলো লোকালয়ে ঢুকে খাদ্যের অনুসন্ধান করছে।

তবে এ বিষয়ে জনগণের জানমালের যাতে ক্ষতি না হয় সে ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। পাশাপাশি বন্য হাতিগুলোও যাতে সুরক্ষিত থাকে সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যে সকল কৃষকের ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি ।