শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ১২:০১ অপরাহ্ন

প্রান্তিক জনপথে নির্মিত হল চরম্বা আবদুচ ছমদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৃষ্টিনন্দন ভবন

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার জনগুরুত্বপুর্ণ ইউনিয়ন হিসেবে চরম্বা ইউনিয়ন পরিচিত। এ ইউনিয়নের একদম শেষ প্রান্তে প্রান্তিক জনপথে চরম্বা আবদুচ ছমদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।ভবনটি নির্মাণ হওয়ায় এখন থেকে এলাকার জনসাধারণের মাঝে স্কুলমুখী করতে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০০০ সালে উপজেলার চরম্বা নোয়ারবিলার দক্ষিণ পার্শ্বে চরম্বা আবদুচ ছমদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টি  রেজিস্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে শিক্ষার কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও দ্রুত সময়ে জাতীয়করণে আওতায় চলে এ বিদ্যালয়।এলাকায় অতীতে বিদ্যালয়ে নতুন কোন ভবন ছিলনা।দুর্গম পাহাড়ি জনপথে এ প্রথম দৃষ্টিনন্দন ভবনের দেখা মিলেছে। এলজিইডি কর্তৃক প্রায় ১কোটি ১৪ লাখ ১৩হাজার ৮৫০ টাকা ব্যয়ে এ বিদ্যালয়ে দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ করা হয়। মেসার্স এইচ. কে. সি এন্টারপ্রাইজ নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি এ বিদ্যালয়ের  কাজ পেয়েছিলেন। ইতিমধ্যে এ ভবনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।জানা গেছে, এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ২৫০ উর্ধ্বে রয়েছে। শিক্ষক ২জন, শিক্ষিকা ৩জন।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফাতেমা বেগম জানান,বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে অঝোপড়া গাঁয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার কার্যক্রমে চালিয়ে যাচ্ছি।বর্তমানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান এবং পরিবেশ অনেক ভাল অবস্থানে রয়েছে। দুর্গম এলাকায় বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে এ প্রথম বিদ্যালয়ে দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।ভবনটি দৃষ্টিনন্দনের কারণে এলাকার সন্তানেরা আরও বেশী স্কুলমুখী হবে। ভবনটি পেয়ে আমরা এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা অনেক খুশী।লোহাগাড়া উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারি প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম জানান, প্রায় ১কোটি ১৪লাখ টাকা ব্যয়ে এ নান্দনিক বিদ্যালয়টি দুর্গম এলাকায় নির্মিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের অনন্য সাফল্য। বিদ্যালয়ের ভবনের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে।লোহাগাড়া উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার এসএম মনির উদ্দিন জানান, এ অঞ্চলে এ প্রথম দৃষ্টিনন্দন ভবন।আমার গ্রাম,অামার শহর বর্তমান সরকারের অভাবনীয় সাফল্য।নান্দনিক ভবন নির্মাণে শিক্ষার পরিবেশকে আরও বেগবান করবে। অঝোপড়া গায়ে শিক্ষার্থীরা নতুন ভবনে পড়ালেখার প্রতি অনেক বেশী আগ্রহী হবে। স্কুলমুখী হয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে এগিয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেইজ